রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন রেজিস্ট্রারের দক্ষতায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক জটিলতা এখন শূন্যের কোঠায়, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া আইফোন ও স্বর্ণালঙ্কারের ব্যাগ ফেরত দিলেন বাকৃবি শিক্ষার্থী তথ্য অধিকার আইন মানছে না গৌরীপুরের পিআইও, সংবাদকর্মীদের ক্ষোভ-অসন্তোষ মাসে লাখ টাকা আয় করেন গৌরীপুরের তরুণ উদ্যোক্তা ইয়াসিন শাওন সমৃদ্ধ উলিপুর গড়ার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী’র মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১ হাজার শিক্ষার্থীকে সংবর্ধিত করল ইসলামী ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের যুব বিভাগের উদ্যোগে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরকারি স্কুলের পাশে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণ,বন্ধের দাবী এলাকাবাসীর কুড়িগ্রামে চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য বদলে কাজ করছেন -ডিসি নুসরাত সুলতানা ময়মনসিংহে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারা বিতরণ

মিথ্যা অপপ্রচার করায় বোনের বিরুদ্ধে ভাইদের সংবাদ সম্মেলন

এহসানুল হক, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মিথ্যা অপপ্রচার করায় বোনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. নুরুল আলম দুলাল (৫৮)

ও সাইফুল আলম জোসনা (৫৫) নামে দুই ভাই। অভিযুক্ত নারীর নাম মোছা. আম্বিয়া খাতুন (৬২)। শনিবার দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. নুরুল আলম দুলাল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ১৯৯২ সালে পিতার মৃত্যুর পর তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি তারা তিন ভাই এবং চার বোন মধ্যে ভাগ করে নেন। এরপর তার বড় বোন আম্বিয়া খাতুন তার ভাগের জমি অন্যত্র বিক্রি করে দেন। তাদের পিতা জীবিত থাকাকালীন সময়েই তার চাচাত বোন মৃত নূরেছেনা ও জুলেখা খাতুনের কাছ থেকে ৩২ শতাংশ জমি সাফ কাওলা মূলে ক্রয় করেন সাইফুল আলম জোসনা ও নুরুল আলম দুলাল। সেই জমি ক্রয়ের পর ভুলক্রমে ১৬ শতাংশ জমি তার পিতার নামে বি.আর.এস রেকর্ডভুক্ত হয়। এ সুযোগে তার বড় বোন আম্বিয়া খাতুন পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে সাড়ে ৫ শতক জমি খারিজ করে নেন। সাইফুল আলম আরও জানান, তার বোন আম্বিয়া খাতুন তাদের ক্রয়কৃত জমি দখল করার জন্য নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি উক্ত খারিজ বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেছেন। অপরদিকে বি.আর.এস রেকর্ড সংশোধনের জন্য ঈশ্বরগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। যা চলমান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আম্বিয়া খাতুনের স্বামী আবুল হাশেম বলেন – ‘ ওই জায়গাটা আমার স্ত্রী পৈত্রিক সূত্রে পেয়ে খারিজ করে ভোগদখলে ছিল। এরপর তার ভাইয়েরা তাকে সেখান থেকে মারধর করে বের করে দেয়। শুধু তা-ই নয়, সে ক্যান্সারে আক্রান্ত তার চিকিৎসার কাগজগুলোও নিতে দেয়নি। যেকারণে গত ৪ মাস ধরে তার চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। ‘

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন