মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে কোচিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌমিক,সন্ধান চায় পরিবার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী-রাজিবপুরে মাদকসহ জুয়া খেলায় ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১৬ লাখ টাকায় নিয়োগের অভিযোগ, আত্মগোপনে সুপার কুড়িগ্রামের রৌমারী ও কচাকাটায় ৯১ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সেমিনার অনুষ্ঠিত বিজ্ঞানাগার না থাকলেও তিন ল্যাব সহকারী নিয়োগ: মাদ্রাসায় নিয়োগের বৈঠক হয়েছে ইটভাটায়, নিয়োগ বাতিলের দাবী নিরাপদ ও টেকসই আবাসন গড়ার প্রত্যয় বিশ্ব বসতি দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা অবরুদ্ধ মানবেতর জীবনাবসনে কুড়িগ্রাম পৌর নাগিকের আকুতি: কর্তৃপক্ষ নিরব ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত- ৭

ঈশ্বরগঞ্জে সেই চেয়ারম্যানের বিচার চেয়ে ১২০ মেম্বারের বিক্ষোভ

এহসানুল হক, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৪২৮ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দুই ইউপি সদস্যকে মারধর করে আলোচিত চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিমের বিরুদ্ধে ১২০ ইউপি সদস্য বিক্ষোভ করেছেন। ৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর জেলা পরিষদ ডাক বাংলো থেকে মিছিল নিয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। মিছিলে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে বিচার চান ইউপি সদস্যরা।

গত বুধবার বিকেলে উপজেলাটির উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন উচাখিলা স্কুলের সামনে হামলার শিকার হন ইউনিয়নটির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আবুল বাশার। অন্তত ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লোহার পাইপ, লাঠিসহ আক্রমণ করে ইউপি সদস্যের উপর।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রোকসানা আক্তারকে মারধরের অভিযোগ উঠে চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিমের বিরুদ্ধে। উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি ও উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম নিজের রুমে সেদিন বৈঠকে বসেন। সেখানে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে নারী ইউপি সদস্য রোকসানাকে চুলের মুঠি ধরে টানা হেঁছড়া করে এলোপাথারী কিল-ঘুষি ও লাথি সহ তার পায়ের সেন্ডেল দিয়ে জুতাপেটা করে। এ নিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি চেয়ারম্যানকে আসামী করে মামলা হলে তিনি জামিন নেন। নারী ইউপি সদস্যের পক্ষ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে কথা বলায় ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আবুল বাশারকে শায়েস্তা করতে বুধবার হামলা করা হয় বলে অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

যদিও চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিম সব ধরণের অভিযোগ অস্বীকার করছেন। তাঁর দাবি, সব ষড়যন্ত্র।

ইউপি সদস্যদের মারধরের ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বরে উপজেলাটির ১১ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নারী ও পুরুষ সদস্যরা জড়ো হন। ১২০ জন সদস্য বিকেল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত বৈঠক করে ইউপি সদ্যসদের নির্যাতনের বিচারের প্রশ্নে একাট্টা হন। সভায় আগামী রোববার বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বৈঠক শেষে মেম্বার ও কাউন্সিলররা ইউপি সদস্য আবুল বাশারের উপর হামলায় চেয়ারম্যানকে দায়ী করে শ্লোগান দিয়ে থানায় যান। সেখানে গিয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

নির্যাতিত ইউপি সদস্য আবুল বাশারের পক্ষে ইউপি সদস্যসের প্রতিনিধিদল থানার ওসির হাতে অভিযোগ তুলে দেন। অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিমসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাসুদ রানা বলেন, ইউপি সদস্যদের উপর নির্যাতনের বিচার চেয়ে আগামী রোববার সকল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্রুত উপযুক্ত বিচার না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উচাখিলা বাজারে মেম্বার আবুল বাশারের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের প্রতিবাদে গণমিছিল ও সমাবেশ করা কয়। উচাখিলা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে উচাখিলা বাজারে ওই গণমিছিল করা হয়।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, থানায় লিখিত অভিযো পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন