মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামের রৌমারী ও ফুলবাড়ীতে জুয়ার আসরে দেড় লক্ষাধিক টাকাসহ আটক-১৫ কুড়িগ্রামের চার উপজেলায় চব্বিশ কোটি টাকার কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ৪ বছরেও চালু হয়নি কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচপীর বাজারে গ্রামীণ বাজার ছাউনি ও ওয়াশ ব্লকের উদ্বোধনসহ দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত কুড়িগ্রামে শিবিরের আয়োজনে জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বোকাইনগরে জলবদ্ধতা নিরসনে সমাজসেবক আনিসুর রহমানের মহতী উদ্যোগ এসএসসি ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে আসামীসহ ৭৮ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক ময়মনসিংহে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা আনন্দ মোহন কলেজ শাখার নবীন বরণ অনুষ্ঠান গণভোটের গণরায় কার্যকর ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ত্রিশালের সানকিভাঙ্গা বাজারে ইসলামী ব্যাংকের নতুন এজেন্ট শাখার উদ্বোধন

পাঁচদিন অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত পেল তিনটি পরিবার

এহসানুল হক, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০২৩
  • ১১২৬ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে এক বাড়ির তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগের পর ওই পরিবারকে মুক্ত করে দিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান। আজ (৩০মে) মঙ্গলবার বিকেলে অবরুদ্ধ পরিবারকে মুক্ত করে দেন তিনি। এসময় সহযোগিতায় ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই কামরুল ইসলাম রাসেলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম।

জানা গেছে, ওই তিন পরিবার গত ৫ দিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তায় বাঁশ দিয়ে বেড়া বেঁধে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করায় আশেপাশের আরও পাঁচ বাড়ির ১৪ পরিবার দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন। ফলে ছয় বাড়ির ১৭ পরিবারের চলাচলে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বাঁশের বেড়া। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছিল অবরুদ্ধ পরিবার। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) হাফিজা জেসমিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মাহবুবুর রহমানকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে বলেন। অবরুদ্ধ পরিবারগুলো ছিল উপজেলার পৌর এলাকার কাকনহাটি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন ওই গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মো. বাচ্চু মিয়া(৪৩) ও তাঁর ভাইয়েরা।

মুক্তি পাওয়া পরিবারগুলো জানায়, চার-পাঁচদিন যাতায়াতসহ নানা দুর্ভোগ ও আতঙ্কে ছিলাম ।আমাদের ছেলে মেয়েরা এখন পড়াশোনা করতেও বের হতে পারছিলো না। আজ ইউএনও ও এসিল্যান্ড স্যারের সহযোগিতায় আমরা মুক্তি পেয়েছি।আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

এঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন,একই গ্রামের মৃত নূর হোসেন মোঃ ফজলুর রহমান (৬০), মোঃ ফজলুর রহমানের ছেলে মোঃ সোহাগ মিয়া (২৮),মোঃ রহিছ উদ্দিন (৬২), মোঃ আসব আলী (৫৫), মোহাম্মদ আলী (৪৫), মোঃ চাঁন মিয়া (৫৬), মোঃ এখলাছ উদ্দিন (৫০)। এসিল্যান্ড ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মহোদয়ের নির্দেশনায় একটি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবরুদ্ধ তিন পরিবারকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি।’

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন