বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বায়োজিনের ২০তম শাখার উদ্ধোধন করলেন বিদ্যা সিনহা মিম সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে সহযোগিতা চাইলেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার সালেহী ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি না করার অঙ্গীকার ময়মনসিংহ সদর আসনের বিএনপির প্রার্থীর কুড়িগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী ডঃ আতিক মুজাহিদদের নেতৃত্বে সুবিশাল নির্বাচনী গণ-মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা দিয়ে অপমানিত করবো না- ডাঃ শফিকুর রহমান আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমানের কুড়িগ্রাম কলেজ মাঠের জনসভা সফল করতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে বৈদেশিক পোস্টাল ভোট বাক্স সিল গালা করা হয় মাহে রমজান উপলক্ষে তরবিয়তি আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই) এর আহ্বায়কসহ ২০জন জামায়াতে যোগদান তৃণমূল পর্যায়ে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডা স্থানীয়করণ বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা

চীনে বাড়ছে সংক্রমণ; শহরগুলোতে রাস্তাঘাটে মানুষ অল্প

অবারিত বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১১৬৮ বার পড়া হয়েছে

চীনের প্রধান শহরগুলোর রাস্তাগুলো খুব শান্ত ছিল সোমবার। লোকজন উত্তর থেকে দক্ষিণে শহুরে কেন্দ্রগুলোকে আঘাতকারী কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঢেউ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য বাড়িতেই অবস্থান করেছ।

দেশটির প্রধান মহামারী বিশেষজ্ঞ উ জুনিউর মতে, এই শীতে চীনে তিন দফায় কোভিড সংক্রমণ দেখা দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি তার মধ্যে প্রথমটি।

চীন ৭ ডিসেম্বরের পর থেকে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যুর খবর দেয়নি। সে সময় দেশটি অভূতপূর্ব জন প্রতিবাদের পরে জিরো কোভিড নীতি সংক্রান্ত বেশিরভাগ বিধিনিষেধ স্থগিত করে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জিরো কোভিড নীতিকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেন।

জিরো কোভিড নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার অংশ হিসেবে ভাইরাসের মাস টেস্টিং বন্ধ হয়েছে। সংক্রমণের সরকারি সংখ্যা সংক্রমণের সম্পূর্ণ বিষয়টি ধারণ করতে পারে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। ১৭ ডিসেম্বর চীনে প্রায় ২ হাজার ৯৭ জনের উপসর্গযুক্ত নতুন কোভিড সংক্রমণের খবর দিয়েছে।

বেইজিংয়ে অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ইতোমধ্যেই ক্যাটারিং থেকে পার্সেল ডেলিভারি পর্যন্ত পরিষেবাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২ কোটি ২০ লাখ বাসিন্দার শহরটি জুড়ে কবরস্থানগুলো কর্মীর অভাবে চাহিদা মেটাতে হিমসিম খাচ্ছে। কারণ শ্রমিক এবং চালকেরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

ঝাং নামের একজন বাসিন্দা বলেছেন, চেংডুতে রাস্তাগুলো জনশূন্য ছিল কিন্তু পরিষেবাগুলো সংক্রমণের সাম্প্রতিক বৃদ্ধির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শুরু করার পরে খাদ্য সরবরাহের সময়ের ব্যাপারটি উন্নত হচ্ছিল।

অ্যান্টিজেন পরীক্ষার কিটগুলো পাওয়া এখনো কঠিন। তবে তিনি বলেছেন, তাকে বলা হয়েছিল, তিনি সম্প্রতি যে কিটগুলো অর্ডার করেছিলেন সেগুলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন