রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা আনন্দ মোহন কলেজ শাখার নবীন বরণ অনুষ্ঠান গণভোটের গণরায় কার্যকর ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ত্রিশালের সানকিভাঙ্গা বাজারে ইসলামী ব্যাংকের নতুন এজেন্ট শাখার উদ্বোধন ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মউক)  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সন্ত্রাসী হামলায় রক্তাক্ত জখম নকল নবিশ মমিন গণভোটের জনরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে ইউজিসির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শহীদদের অসম্পূর্ণ মিশন সম্পন্ন করে তবেই আমরা তৃপ্তিভোজন করব- মুফতি আলী হাসান উসামা দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এনসিপির জুলাই পথসভসায়- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিলএলসি ময়মনসিংহ শাখার গ্রাহক সমাবেশ

মিথ্যা অপপ্রচার করায় বোনের বিরুদ্ধে ভাইদের সংবাদ সম্মেলন

এহসানুল হক, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৬২৪ বার পড়া হয়েছে

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মিথ্যা অপপ্রচার করায় বোনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. নুরুল আলম দুলাল (৫৮)

ও সাইফুল আলম জোসনা (৫৫) নামে দুই ভাই। অভিযুক্ত নারীর নাম মোছা. আম্বিয়া খাতুন (৬২)। শনিবার দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. নুরুল আলম দুলাল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ১৯৯২ সালে পিতার মৃত্যুর পর তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি তারা তিন ভাই এবং চার বোন মধ্যে ভাগ করে নেন। এরপর তার বড় বোন আম্বিয়া খাতুন তার ভাগের জমি অন্যত্র বিক্রি করে দেন। তাদের পিতা জীবিত থাকাকালীন সময়েই তার চাচাত বোন মৃত নূরেছেনা ও জুলেখা খাতুনের কাছ থেকে ৩২ শতাংশ জমি সাফ কাওলা মূলে ক্রয় করেন সাইফুল আলম জোসনা ও নুরুল আলম দুলাল। সেই জমি ক্রয়ের পর ভুলক্রমে ১৬ শতাংশ জমি তার পিতার নামে বি.আর.এস রেকর্ডভুক্ত হয়। এ সুযোগে তার বড় বোন আম্বিয়া খাতুন পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে সাড়ে ৫ শতক জমি খারিজ করে নেন। সাইফুল আলম আরও জানান, তার বোন আম্বিয়া খাতুন তাদের ক্রয়কৃত জমি দখল করার জন্য নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি উক্ত খারিজ বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেছেন। অপরদিকে বি.আর.এস রেকর্ড সংশোধনের জন্য ঈশ্বরগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। যা চলমান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আম্বিয়া খাতুনের স্বামী আবুল হাশেম বলেন – ‘ ওই জায়গাটা আমার স্ত্রী পৈত্রিক সূত্রে পেয়ে খারিজ করে ভোগদখলে ছিল। এরপর তার ভাইয়েরা তাকে সেখান থেকে মারধর করে বের করে দেয়। শুধু তা-ই নয়, সে ক্যান্সারে আক্রান্ত তার চিকিৎসার কাগজগুলোও নিতে দেয়নি। যেকারণে গত ৪ মাস ধরে তার চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। ‘

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন