বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধা বৃত্তি প্রদান ১১ দলীয় জোটের ডাকে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত স্থানীয় কণ্ঠকে বৈশ্বিক পরিসরে যুক্ত করতে সংলাপ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি ডক্টর আতিক মুজাহিদ প্রাণে রক্ষা: গাড়ি বিধ্বস্ত, আহত-৩ কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন জেলা বিএনপির ত্যাগী নেতা আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ গৌরীপুরে রক্তযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও রক্তদূত ব্লাড ডোনার সোসাইটির নতুন কমিটি ঘোষণা এযাবৎকালের সর্ববৃহত সফল ইফতার মাহফিল করলো কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াত ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বায়োজিনের ২০তম শাখার উদ্ধোধন করলেন বিদ্যা সিনহা মিম সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে সহযোগিতা চাইলেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার সালেহী

জি কে শামীমসহ ৮ জনের মামলার রায় আজ

অবারিত বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট : রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩
  • ১০১৩ বার পড়া হয়েছে
ছবি - ইন্টারনেট

রাজধানীর গুলশান থানার মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় কথিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ আটজনের রায় আজ রোববার হবে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।

গত ১৫ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন।

মামলার অপর আসামি হলেন মো: দেলোয়ার হোসেন, মো: মোরাদ হোসেন, মো: জাহিদুল ইসলাম, মো: শহীদুল ইসলাম, মো: কামাল হোসেন, মো: সামসাদ হোসেন ও মো: আনিছুল ইসলাম। শুনানিকালে আসামিদের কারাগারে থেকে আদালত হাজির করা হয়।

রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছেন মর্মে সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান। তবে আসামিপক্ষ বলছে, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধ অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। কাজেই তারা খালাস পাবেন।

গত ২৬ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করে। ৬ মার্চ শেষ করে। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা ১২ বছরের কারাদণ্ড প্রত্যাশা করে।

এর আগে ১৭ জানুয়ারি আত্মপক্ষ শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থণা করেন।

গত ২১ ডিসেম্বর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে চার্জশিটভুক্ত ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিকেতনের নিজ বাসা থেকে শামীমকে আটক করা হয়। এ সময় জি কে শামীমের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকার এফডিআর চেকসহ বিপুল পরিমাণ দেশী-বিদেশঅ টাকা জব্দ করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি অস্ত্রও পাওয়া যায়।

এ ঘটনার পর র‌্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান ২১ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৪ আগস্ট আদালতে জিকে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন