বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীর দূর্গম চরে পতিতাবৃত্তি, অশ্লীল নাচ, মাদক ও জুয়ার আসর গুড়িয়ে দিলো পুলিশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার দয়িত্বশীল সমাবেশে অ্যাড: আতিকুর ভূরুঙ্গামারীর মুগ্ধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে আটক-১, ম্যানেজার পলাতক কুড়িগ্রামের রৌমারী ও ফুলবাড়ীতে জুয়ার আসরে দেড় লক্ষাধিক টাকাসহ আটক-১৫ কুড়িগ্রামের চার উপজেলায় চব্বিশ কোটি টাকার কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ৪ বছরেও চালু হয়নি কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচপীর বাজারে গ্রামীণ বাজার ছাউনি ও ওয়াশ ব্লকের উদ্বোধনসহ দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত কুড়িগ্রামে শিবিরের আয়োজনে জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বোকাইনগরে জলবদ্ধতা নিরসনে সমাজসেবক আনিসুর রহমানের মহতী উদ্যোগ এসএসসি ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে আসামীসহ ৭৮ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে ১১ ব্যাগ ব্লাডসহ ১ (এক) বেসরকারি কর্মচারী আটক

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • আপডেট : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে ১১ (এগারো) ব্যাগ ব্লাড বাইরে নেওয়ার সময় এক বেসরকারি কর্মচারীকে গত শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বিকালে অন্যান্য স্টাফ ও চিকিৎসকের সহায়তায় আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে পুনরায় ছেড়ে দেওয়া হয়। আটককৃত ব্যক্তির নাম সোনিয়া আক্তার শান্তা, পদবি– মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। তিনি সৌদি সিকিউরিটি সার্ভিসের মাধ্যমে ব্লাড ব্যাংকে বেসরকারিভাবে কর্মরত ছিলেন। তার স্থায়ী ঠিকানা ময়মনসিংহের গোরীপুর উপজেলায়।

জানা যায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি প্রথমে গোপন রাখার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে বিষয়টি কতিপয় স্টাফের ও অন্যান্যদের মধ্যে প্রকাশ পেলে হাসপাতাল পরিচালক আটককৃতকে ব্লাড চুরির সাথে সম্পৃক্ত নারী স্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করার পাশাপাশি আরও স্বীকার করে যে, হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের কাউন্টারে কর্মরত সরকারি স্টাফ সোহেল সহ আরও কয়েকজন ব্লাড চুরির সাথে জড়িত। এ সময় সরকারি স্টাফদের সম্পৃক্ততার তথ্য প্রমাণিত হলেও, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে শুধুমাত্র আটককৃত সোনিয়া আক্তার শান্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

প্রায় দুই মাস পূর্বেও একই হাসপাতালে ব্লাড চুরির ঘটনায় দুই বাহিরের ব্যক্তিকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ কতৃক গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছিল।
তার কিছুদিন পর পুনরায় একই ধরনের ঘটনা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম সম্পর্কে হাসপাতাল প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে দুর্নীতিপরায়ণদের রক্ষা করা হয়েছে।

উক্ত ঘটনা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে চলমান দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার দৃষ্টান্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তা ও সেবার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সোনিয়া আক্তার শান্তা দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ অসাধু স্টাফদের সহায়তায় চুরি করে ব্লাড বাহিরের চক্রের কাছে বিক্রি করতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন