সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১৬ লাখ টাকায় নিয়োগের অভিযোগ, আত্মগোপনে সুপার কুড়িগ্রামের রৌমারী ও কচাকাটায় ৯১ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সেমিনার অনুষ্ঠিত বিজ্ঞানাগার না থাকলেও তিন ল্যাব সহকারী নিয়োগ: মাদ্রাসায় নিয়োগের বৈঠক হয়েছে ইটভাটায়, নিয়োগ বাতিলের দাবী নিরাপদ ও টেকসই আবাসন গড়ার প্রত্যয় বিশ্ব বসতি দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা অবরুদ্ধ মানবেতর জীবনাবসনে কুড়িগ্রাম পৌর নাগিকের আকুতি: কর্তৃপক্ষ নিরব ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত- ৭ ভূরুঙ্গামারীতে চায়ের আড্ডার আড়ালে অনৈতিক কাজের উদ্দেশ্যে ভাড়ায় এনে গণধর্ষণ: পৃথক ঘটনায় আটক-২ ভূরুঙ্গামারীর দূর্গম চরে পতিতাবৃত্তি, অশ্লীল নাচ, মাদক ও জুয়ার আসর গুড়িয়ে দিলো পুলিশ

তথ্য অধিকার আইন মানছে না গৌরীপুরের পিআইও, সংবাদকর্মীদের ক্ষোভ-অসন্তোষ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৩৫ বার পড়া হয়েছে

তথ্য অধিকার আইন মানছে না গৌরীপুরের পিআইও, সংবাদকর্মীদের ক্ষোভ-অসন্তোষ

 

সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে তথ্য অধিকার আইন মানছেন না ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। এনিয়ে সংবাদকর্মী ও সাধারন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে- গত ২৪ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বরাবরে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন একাধিক সংবাদকর্মী। এতে ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের টিআর, কাবিখা ও কাবিটা, ৪০ দিনের কর্মসূচি প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ সহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট তথ্য চাওয়া হয়। তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর ধারা ৯ অনুযায়ী আবেদন পাওয়ার ২০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তথ্য সরবরাহ করতে আইনে বাধ্য থাকলেও নির্ধারিত সময় পারও পিআইও আলাউদ্দীন তথ্য দেয়নি।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ কর্মসৃজন প্রকল্পে বিগত দুই অর্ধবছরের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে। এতে কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মস্বাৎ করা হয়েছে। আর এসবই হয়েছে সংশ্লিষ্ট পিআইও’র যোগসাজসে।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে- বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পিআইও আলাউদ্দিন আওয়ামীলীগের জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের যোগসাজসে এসব প্রকল্পের কাজ না করেই বা নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দ আত্মস্বাৎ করেছে। এতে এলাকাবাসি উন্নয়ন বঞ্চিত হলেও আর্থিকভাবে কোটি কোটি টাকা লাভবান হয়েছেন পিআইওসহ সংশ্লিষ্টরা।

ভুুক্তভোগী একাধিক সংবাদকর্মী বলেন, এলাকারবাসির অভিযোগ যাছাই-বাছাইয়ের জন্য বিগত দুই অর্থবছরের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সমূহের তথ্য চাওয়া হয় সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ি। ইউএনও মহোদয় যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদনটি পিআইও দপ্তরে পাঠালেও ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য দিচ্ছে না। এটি অনিয়ম ঢাকার চেষ্টা ছাড়া আর কিছ্ইু নয়।

আবেদনকারী আরও জানান, তথ্য না দেওয়ার পাশাপাশি আমাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক মো: আবুল কালাম বলেন, এ ধরনের ঘটনা শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, বরং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অবমূল্যায়ন করার সামিল।

স্থানীয় শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার যেখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, সেখানে একজন কর্মকর্তা কী-ভাবে তথ্য প্রদানে ভয় পায়। তাহলে কী দুর্নীত ফাঁস হওয়ার ভয় রয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিকবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ আফিয়া আমীন পাপ্পা বলেন, পিআইও কে বলা হয়েছে সে তথ্য দিয়ে দিবে, আপনি অফিসে এসে নিয়ে যাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন