মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে ইউজিসির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শহীদদের অসম্পূর্ণ মিশন সম্পন্ন করে তবেই আমরা তৃপ্তিভোজন করব- মুফতি আলী হাসান উসামা দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এনসিপির জুলাই পথসভসায়- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিলএলসি ময়মনসিংহ শাখার গ্রাহক সমাবেশ ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের শহিদের কবর জিয়ারত ও দোয়া করলেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াত ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদকাসক্ত কারাবন্দীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে কাউন্সিলিং সেসন অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় পর্যায়ের তুখোড় বিতার্কিক তানজিল আহমেদ তালুকদার ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন কুড়িগ্রামে বাণিজ্য মেলা বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি সচেতন নাগরিকদের কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ১২ কেজি গাঁজাসহ ব্যবসায়ী ১মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

চীনে বাড়ছে সংক্রমণ; শহরগুলোতে রাস্তাঘাটে মানুষ অল্প

অবারিত বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১২৯০ বার পড়া হয়েছে

চীনের প্রধান শহরগুলোর রাস্তাগুলো খুব শান্ত ছিল সোমবার। লোকজন উত্তর থেকে দক্ষিণে শহুরে কেন্দ্রগুলোকে আঘাতকারী কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঢেউ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য বাড়িতেই অবস্থান করেছ।

দেশটির প্রধান মহামারী বিশেষজ্ঞ উ জুনিউর মতে, এই শীতে চীনে তিন দফায় কোভিড সংক্রমণ দেখা দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি তার মধ্যে প্রথমটি।

চীন ৭ ডিসেম্বরের পর থেকে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যুর খবর দেয়নি। সে সময় দেশটি অভূতপূর্ব জন প্রতিবাদের পরে জিরো কোভিড নীতি সংক্রান্ত বেশিরভাগ বিধিনিষেধ স্থগিত করে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জিরো কোভিড নীতিকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেন।

জিরো কোভিড নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার অংশ হিসেবে ভাইরাসের মাস টেস্টিং বন্ধ হয়েছে। সংক্রমণের সরকারি সংখ্যা সংক্রমণের সম্পূর্ণ বিষয়টি ধারণ করতে পারে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। ১৭ ডিসেম্বর চীনে প্রায় ২ হাজার ৯৭ জনের উপসর্গযুক্ত নতুন কোভিড সংক্রমণের খবর দিয়েছে।

বেইজিংয়ে অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ইতোমধ্যেই ক্যাটারিং থেকে পার্সেল ডেলিভারি পর্যন্ত পরিষেবাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২ কোটি ২০ লাখ বাসিন্দার শহরটি জুড়ে কবরস্থানগুলো কর্মীর অভাবে চাহিদা মেটাতে হিমসিম খাচ্ছে। কারণ শ্রমিক এবং চালকেরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

ঝাং নামের একজন বাসিন্দা বলেছেন, চেংডুতে রাস্তাগুলো জনশূন্য ছিল কিন্তু পরিষেবাগুলো সংক্রমণের সাম্প্রতিক বৃদ্ধির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শুরু করার পরে খাদ্য সরবরাহের সময়ের ব্যাপারটি উন্নত হচ্ছিল।

অ্যান্টিজেন পরীক্ষার কিটগুলো পাওয়া এখনো কঠিন। তবে তিনি বলেছেন, তাকে বলা হয়েছিল, তিনি সম্প্রতি যে কিটগুলো অর্ডার করেছিলেন সেগুলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন