রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ৯ প্রতিষ্ঠানে ৭০ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল কুড়িগ্রামে ইয়াবা, হিরোইনসহ আইনজীবি দম্পতিসহ আটক-৩ মামা ভাগ্নার কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া নিয়োগে প্রধান আসামি সালাম গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৬০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদককারবারি আটক বিভিন্ন কর্মসূচীতে ২৮ অক্টোবর পালন করলো কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াত-শিবির কুড়িগ্রামের ভূরুংগামারী ও চিলমারীতে ভারতীয় চোরাকারবারি আটক-২ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামগামী কোচ দুর্ঘটনায় নিহত ৩ আহত ১৮ কুড়িগ্রামে নাটকোচ-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত-২ আহত অন্তত ৭ কুড়িগ্রামের উলিপুরে এবং ফুলবাড়ীতে ৬০৩ পিস ইয়াবাসহ আটক-২ কুড়িগ্রামে মা-মেয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতাম

কুড়িগ্রামে ৯ প্রতিষ্ঠানে ৭০ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

কুড়িগ্রাম থেকে মোস্তাফিজুর রহমান
  • আপডেট : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

সচেতন মহলের প্রশ্ন: এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাগ্যে কি হবে?

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি’র ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য দেখা যায়।শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন, নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন, রাজারহাটের সিঙ্গার ডাবরিরহাট কলেজ থেকে ১০ জন এবং সিঙ্গার ডাবরিরহাট বি.এল. হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এ ছাড়া নাগেশ্বরীর কুটি পায়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন, ছিলাখানা মডেল কলেজ থেকে চারজন, উলিপুরের হজরত ফাতেমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন, চিলমারীর দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

অপরদিকে, কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মিরের বাড়ি এলাকায় পাঙ্গারাণী লক্ষ্মী প্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ অবস্থিত। ঐতিহাসিক রাজারহাটের ওই পাঙ্গারাণী লক্ষ্মী প্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সেও ফেল।

ফলাফলের তালিকায় দেখা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এছাড়াও কুড়িগ্রাম জেলার সামগ্রিক ফলাফলও হতাশাজনক। এ বছর জেলায় ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৪ হাজার ৭৭৩ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

তবে জেলায় ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাসের হার একটু বেশি। পাঁচ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

অন্যদিকে, ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রীর পাসের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ।

এ বছর জেলায় মোট ১৩৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৮ জেলার মধ্যে পাসের হারে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।

ভিন্ন দিকে, উলিপুরের হজরত ফাতেমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজ রহুল আমিন বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের ৩ পরীক্ষার্থীই বিবাহিত। সংসারের চাপের কারণে তারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সবাই পাস করুক। কিন্তু শিক্ষার্থীদের আগ্রহ না থাকলে ভালো ফল করা কঠিন।

ঐতিহ্যবাহী কুড়িগ্রাম সরকারী স্কুলের সাবেক গুনি শিক্ষক বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, তারা সাধারণ মাধ্যমিক শাখার কার্যক্রম দেখভাল করেন। উচ্চমাধ্যমিক শাখা সরাসরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের ফলের বিষয়ে তারা বিস্তারিত অবগত নন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন