বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ইয়াবা, হিরোইনসহ আইনজীবি দম্পতিসহ আটক-৩ মামা ভাগ্নার কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া নিয়োগে প্রধান আসামি সালাম গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৬০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদককারবারি আটক বিভিন্ন কর্মসূচীতে ২৮ অক্টোবর পালন করলো কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াত-শিবির কুড়িগ্রামের ভূরুংগামারী ও চিলমারীতে ভারতীয় চোরাকারবারি আটক-২ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামগামী কোচ দুর্ঘটনায় নিহত ৩ আহত ১৮ কুড়িগ্রামে নাটকোচ-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত-২ আহত অন্তত ৭ কুড়িগ্রামের উলিপুরে এবং ফুলবাড়ীতে ৬০৩ পিস ইয়াবাসহ আটক-২ কুড়িগ্রামে মা-মেয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতাম কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী মহাসড়কে ফুটপাতের দাবিতে হাজারও মানুষের মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৬০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদককারবারি আটক

কুড়িগ্রাম থেকে মোস্তাফিজুর রহমান
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানা এলাকায় ডিবি কর্তৃক মাদক বিরোধী অভিযানে রাজারহাট থানাধীন ছিনাই ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত কিসামত ছিনাই ধরালা নদীর পাড় এলাকা থেকে মাদক কারবারি মোঃ জেলহক, পিতা- মৃত জাইমুদ্দী, থানা-ফুলবাড়ি জেলা- কুড়িগ্রাম বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৬০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে ডিবি।

কুড়িগ্রাম জেলা ডিবির অফিসার ইনচার্জ মোঃ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে ডিবি কুড়িগ্রামের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের আইনি কার্যক্রম অব্যাহত আছে। আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করি।

এদিকে, মাদকের ২৬ মামলার আসামী নয়ন গ্রেফতার হওয়ার পরে একটি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে- উলিপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চাই!

উলিপুরে বারবার মাদক আটকের খবর সামনে আসছে। কিন্তু একই ব্যক্তিকে (যার বিরুদ্ধে ২০এর অধিক মামলা রয়েছে )বারবার আটক করার পরও যদি আবার মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়—এই চক্র বন্ধ হচ্ছে না কেন?

মাদকবিরোধী অভিযান কি শুধু আটক পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি মাদকের মূল উৎস ও সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

প্রশাসনের প্রতি আমাদের দাবি—বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। আটক, মামলা, আদালতের প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মাদকমুক্ত উলিপুর গড়তে চাই স্বচ্ছ অভিযান, কার্যকর বিচার ও প্রশাসনের জবাবদিহি।

জনগণের আস্থা রক্ষা করা হোক, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

অপরদিকে, আরেকজন তার আইডিতে পোস্ট করেছেন য, আমাদের এলাকায় আজ মাদকের রাজত্ব কায়েম হয়েছে, আর এর মূল রসদ জোগাচ্ছে হয়তো তথাকথিত জনপ্রতিনিধিরা। এলাকার একটি চিহ্নিত ছেলে বারবার একই অপরাধ ঘটিয়ে যাচ্ছে, পুলিশ তাকে ধরছে আর সে জামিনে বেরিয়ে আসছে এটা কোনো চোর-পুলিশ খেলা নয়, এটি একটি সুসংগঠিত অপরাধ চক্রের রমরমা বাণিজ্য।

সবচেয়ে লজ্জার বিষয় হলো, এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যান সাহেবরা কিসের প্রতিনিধি? জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়ে যারা গদিতে বসেছেন, আজ তারা এই অপরাধীর নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছেন। তারা কি কেবল ভোটের সময় ভোটারদের দ্বারে যাওয়ার জন্য প্রতিনিধি হয়েছেন, নাকি অপরাধীদের বাঁচানোর ঠিকাদার? যদি তারা জনগণের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে না পারেন, তবে তাদের এই অবৈধ চেয়ারে থাকার কোনো অধিকার নেই। প্রয়োজনে এই কুচক্রী মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধেও তীব্র আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাদের দুর্নীতি ও মদদদানকারী চরিত্রের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।

তিনি বলেছেন, একই সাথে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, বিগত বছরগুলোতে এই অপরাধী ‘নয়নের’ পেছনে থেকে যারা জামিন ও মুক্তির তদ্বির করেছে, অর্থের বা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বারবার তাকে সমাজ ধ্বংসের সুযোগ করে দিয়েছে, সেই দোসরদেরও ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদেরকেও আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।

তিনি তার পোস্টে আরও লিখেছেন যে, এলাকাবাসী আর কোনো বাহানা বা প্রহসন দেখতে চায় না। অবিলম্বে এই অপরাধ চক্র এবং তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের শেকড় সমূলে উৎপাটিত করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী কঠোর জবাব দিতে বাধ্য হবে।

না হলে নয়নের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে, নয়নকেই এলাকা ছেরে দেই কর ব্যবসা।

এসবের জবাব কি দিবেন পুলিশ প্রশাসন তার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রশ্নকারীগণসহ এলাকার সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন