বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীর দূর্গম চরে পতিতাবৃত্তি, অশ্লীল নাচ, মাদক ও জুয়ার আসর গুড়িয়ে দিলো পুলিশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার দয়িত্বশীল সমাবেশে অ্যাড: আতিকুর ভূরুঙ্গামারীর মুগ্ধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে আটক-১, ম্যানেজার পলাতক কুড়িগ্রামের রৌমারী ও ফুলবাড়ীতে জুয়ার আসরে দেড় লক্ষাধিক টাকাসহ আটক-১৫ কুড়িগ্রামের চার উপজেলায় চব্বিশ কোটি টাকার কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ৪ বছরেও চালু হয়নি কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচপীর বাজারে গ্রামীণ বাজার ছাউনি ও ওয়াশ ব্লকের উদ্বোধনসহ দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত কুড়িগ্রামে শিবিরের আয়োজনে জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বোকাইনগরে জলবদ্ধতা নিরসনে সমাজসেবক আনিসুর রহমানের মহতী উদ্যোগ এসএসসি ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে আসামীসহ ৭৮ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের দোকান-বাড়িতে হামলা-লুটপাট, গ্রেপ্তার এক

এহসানুল হক, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট : শনিবার, ৬ মে, ২০২৩
  • ১১৯৮ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে চাঁদা দাবি করে

না পেয়ে উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক (ইউপি) চেয়ারম্যান একেএম মুদাব্বিরুল ইসলামের দোকান ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের করা মামলায় গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে মো. বাবুল মিয়া (৫০) নামে ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আজ (০৬ এপ্রিল) শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পিএসএস মোস্তাছিনুর রহমান।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল সাবেক ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে চাঁদা দাবি করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে এ ঘটনায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একেএম মুদাব্বিরুল ইসলাম বাদী হয়ে গত (০৪ মে) ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন- উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর (টান মালমারী) এলাকার মো. আবু কায়সারের ৩ ছেলে মো. আরমান (৩০) , মো.ইমন মিয়া (২৬) ও মো. আরাফাত হোসেন। একই এলাকার বাবুল মিয়ার ২ ছেলে মো. সৈকত (২৫) ও সৌরভ (২১)। মো. আব্দুল জব্বারের ২ ছেলে মো. হাদিউল বাশার সুমন (৪৩) ও মো. বাবুল মিয়া (৫০)। পরে অভিযান চালিয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে মো. বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, উল্লেখিত অভিযুক্তরা আগে থেকেই স্থানীয়ভাবে ব্যাপক অরাজকতা এবং আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। শুধু তা-ই নয়, একেকজনের নামে একাধিক চাঁদাবাজি,
লুটপাট, অস্ত্র বিস্ফোরণসহ মাদক মামলাও রয়েছে। এ ছাড়াও ইয়াবাসহ বিভিন্ন রকম মাদক সরবরাহকরে এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংস করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তাছাড়াও এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান একেএম মুদাব্বিরুল ইসলাম বলেন, ‘ ঘটনারদিন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উল্লেখিত আসামিরা আমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি জানায়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা আমার বাড়িতে এবং আমার ভাড়াটিয়ার দোকানে হামলা চালায়। এসময় দোকানে থাকা নগদ দুই লাখ টাকাসহ, দোকানের মালামাল ও আরেক ভাড়াটিয়া নারীর গলা থেকে স্বর্ণাল্কংকার লুট করে নিয়ে যায়। শুধু তা-ই নয়, আমার একটি মোটরসাইকসহ দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর করে আসামিরা’। অবিলম্বে আসামিদের গ্রেপ্তারকরে শাস্তির দাবি জানান ওই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান।

এদিকে মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিরা বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। যেকারণে তাদের কারোর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের করা মামলায় এক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’।

Please Share This Post in Your Social Media

আরও পড়ুন